Govt লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Govt লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

ভারত ইলেকট্রনিক্সে ৭৬ আপ্রেন্টিস । এখুনি আবেদন করুন ।


১৯৬১ সালে আপ্রেন্টিসশিপ অ্যাক্ট অনুযায়ী নবরত্ন পাবলিক সেক্টর এন্টারপ্রাইজ ভারত ইলেকট্রনিক্স লিমিটেড ৭৬ টি শুন্যপদ গ্র্যাজুয়েট ও টেকনিশিয়ান শাখায় আপ্রেন্টিসশিপ প্রশিক্ষণ দেবে । প্রশিক্ষণ হবে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের অধীনে প্রশিক্ষণ দেয়া হবে বছরের জন্য এই প্রশিক্ষণ বিজ্ঞপ্তি নম্বর ঃ 421/MR/HR/2020-21/01

শূন্যপদে শিক্ষাগত যোগ্যতা ঃ

গ্রাজুয়েট আপ্রেন্টিসশিপ

  •  শাখায় মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ১৫ টি
  • কম্পিউটার সাইন্সে ৩টি,
  • ইলেকট্রনিক্সে ২০টি
  • ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ২টি
  • সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ১০টি 
হিসেবে মোট ৫০টি শুন্যপদ নির্ধারিত আছে

প্রতিটি শাখাতেই মাসিক ভাতা দেয়া হবে ১১,১০০ টাকা করে  


টেকনিশিয়ান (ডিপ্লোমা) অ্যাপ্রেন্টিস 
  • শাখায় মেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে  ১২ টি, 
  • কম্পিউটার অ্যান্ড কমার্শিয়াল প্রাক্টিস শাখায় ২টি, 
  • ইলেকট্রনিক্সে ৫টি, ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ২টি, 
  • সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ৫টি
হিসেবে মোট ২৬ টি শূন্যপদ নির্ধারিত আছে  

প্রতিটি শাখাতেই মাসিক ভাতা দেয়া হবে ১০,৪০০ টাকা করে ।

শিক্ষাগত যোগ্যতা ঃ

গ্র্যাজুয়েট আপ্রেন্টিসের  ক্ষেত্রে প্রার্থীকে সংশ্লিষ্ট ইঞ্জিনিয়ারিং শাখায় বি/বিটেক পা করতে হবে কোনো স্বীকৃত প্রতিষ্ঠানে থেকে পা ক্লাস থাকলেই আবেদন করা যাবে  

টেকনিশিয়ান (ডিপ্লোমা) আপ্রেন্টিসের  ক্ষেত্রে প্রার্থীকে সংশ্লিষ্ট ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপ্লোমা পাশ করলেই আবেদন করা যাবে  

প্রার্থীদেরকে অবশ্যই ওয়েব পোর্টাল রেজিস্ট্রেশন করে থাকতে হবে

প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা অবশ্যই ৩১ ডিসেম্বর 2017 তারিখ মধ্যে সম্পন্ন করে থাকতে হবে আপ্রেন্টিসশিপ আক্ট  অনুযায়ী প্রার্থীর বয়স সীমা নির্ধারিত হবে।

নির্বাচন পদ্ধতি ঃ

প্রার্থীর মেধা-তালিকা তৈরি করা হবে শিক্ষাগত যোগ্যতায় প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে।

আবেদন পদ্ধতি ও সময়সীমা ঃ

অ্যাপ্রেন্টিসেশিপে রেজিস্ট্রেশনের পর ২৬ শে নভেম্বর ২০২০ তারিখের মধ্যে রেজিস্ট্রেশনে কপি ও আবেদনপত্রটির প্রিন্টআউট বের করে পাঠিয়ে দিতে হবে এই ঠিকানায় To, Manager (HR), Bharat Electronics Limited, Post Box No. 26, Rabindranath Tagore Road, Machhlipatnam-521001,Andhra Pradesh । 

জরুরি তথ্য ঃ

  • আবেদনপত্রের সঙ্গে সম্প্রতি তোলা পাসপোর্ট সাইজের ফটো, 
  • সমস্ত শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা (যদি থাকে) প্রভৃতি 
  • নথিপত্রের সত্যায়িত ফটোকপি কাস্ট সার্টিফিকেট (যদি থাকে) শারীরিক প্রতিবন্ধকতার সার্টিফিকেট (যদি থাকে) 
পাঠাতে হবে সংশ্লিষ্ট ঠিকানায় 
     আবেদনপত্রের পাওয়া যাবে নিম্মলিখিত ওয়েবসাইট থেকে 
প্রার্থীদেরকে তার বৈধ ইমেলের মাধ্যমে পরীক্ষার তারিখ ও ইন্টারভিউ -এর তারিখ জানানো হবে আবেদনের শেষ তারিখ ২৬ নভেম্বর। বিশেষ জানতে আমাদের ওয়েবসাইটে এবং ফেসবুক পেজে নজর রাখুন।

আবেদনের লিংক ঃ

রেজিস্ট্রেশন থাকতে হবে এই ওয়েবসাইট থেকে ঃ
অনান্য তথ্য পাওয়ার জন্য আমাদের ফেসবুক পেজটিকে লইক করুন ঃ https://www.facebook.com/CareerObject/

মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার রুটিন কবে দেওয়া হবে

https://mycareerobject.blogspot.com/



সব কিছুই কেমন যেন উল্টপাল্ট হয়ে গেল কয়েক মাসের মধ্যে । করোনা মহামারী কীভাবে সব কিছু পরিবর্তন করে দিলো নিমেষেই । শুধু যে প্রাণ কেড়ে নিয়েছে এই মহামারী তা না, ধ্বংস করে দিয়েছে প্রচলিত জীবন যাপন থেকে অর্থনীতি । পাল্টে যাচ্ছে শিক্ষা ব্যাবস্থাও ।

বিশ্ব মহামারী করোনাভাইরাসের কারণে দেশের সরকারি ও বেসরকারি বিদ্যালয়গুলো বন্ধ রয়েছে । এই বন্ধের পর সারাদেশের শিক্ষার্থীরা শিক্ষাকেন্দ্রে ফিরে গিয়ে এক নতুন পরিবেশের মুখোমুখি হবে । এই নতুনত্ব আসবে শ্রেণিকক্ষে, পরিবর্তন আসবে পাথপ্রদানের ধরনে, বাড়বে রিমোট লার্নিং । সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে গিয়ে শিশুরাও আগের মতো একসঙ্গে দলবেঁধে শ্রেণিকক্ষে যেতে পারবে না ।  আর এরই মাঝে পশ্চিম্বঙ্গের শিক্ষাব্যবস্থায় যুগান্তকারী পরিবর্তনের প্রস্তুতি তুঙ্গে । রাজ্যের স্কুলশিক্ষা দপ্তর টেলিফোন এবং স্যোশাল নেটওয়ার্কিং সাইট হোয়াটসআপের মাধ্যমে পাঠদানের পরিকল্পনা নিয়েছিল কিছুদিন আগেই । আর এই পরিকল্পনাকে বাস্তবে সুপ্রতিষ্ঠিত করতে এবার জেলাভিত্তিক রিসোর্স পার্সন তৈরি করে তাঁদের প্রশিক্ষণ শুরু করেছে শিক্ষা দপ্তর । হ্যাঁ, একটু ধীর গতিতে এগুচ্ছে শিক্ষাব্যবস্থা  কিন্তু আমাদের মাথায় রাখতে হবে যে শিক্ষা ব্যবস্থা থেমে নেই । প্রতিবারের মতো এবারেও পশ্চিমবঙ্গ বোর্ড তথা মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ঘোষণা করে দিয়েছে।  

সুত্র অনুযায়ী প্রত্যেক বছরের মতো এবারেও থাকবে তেমনি কড়াকড়ি নিয়মব্যবস্থা । তবে আগামী পরীক্ষাতিদের মুখে মাস্ক এবং সানিটাইজার গণ্য হবে । তবে দেরি না করে চটফট দেখে নেওয়া যাক আগামী মাধ্যমিক পরীক্ষার সময়সূচী । 

West Bengal Madhyamik exam Routine 2021

বার

                 তারিখ

                  বিষয়

মঙ্গলবার

১৮ ই ফেব্রুয়ারি ২০২১

প্রথম ভাষা

বুধবার

১৯শে ফেব্রুয়ারি ২০২১

দ্বিতীয় ভাষা

                  বৃহস্পতিবার

২০শে ফেব্রুয়ারি ২০২১

ভূগোল

শনিবার

২২শে ফেব্রুয়ারি ২০২১

ইতিহাস

সোমবার

২৪শে ফেব্রুয়ারি ২০২১

গণিত

মঙ্গলবার

২৫শে ফেব্রুয়ারি ২০২১

ভৌত বিজ্ঞান

বুধবার

২৬শে ফেব্রুয়ারি ২০২১

জীবন বিজ্ঞান

বৃহস্পতিবার

২৭শে ফেব্রুয়ারি ২০২১

ঐচ্ছিক বিষয়

 পরীক্ষার সময়সীমা ঃ ৩ ঘণ্টা ১৫ মিনিট (সকাল ১১টা ৪৫মিনিট থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত)

তবে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা মার্চ মাসে হওয়ার সম্ভাবনা আছে বলে জানান পশ্চিমবঙ্গ বোর্ড । তবে ঠিক কোন তারিখ থেকে পরীক্ষা হবে এখনো পর্যন্ত জানা যায়নি । তবে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার সময়সীমা সকাল ১০টা হইতে দুপুর ১.১৫ পর্যন্ত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে । পরে উচ্চ মাধ্যমিক রুটিন সংক্রাত যতরকম আপডেট আসবে এই পেজে আপডেট করে দেওয়া হবে ।

পশ্চিমবঙ্গ বোর্ড তথা মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ড দেওয়া হবে পরীক্ষার কিছুদিন আগে, সকল ছাত্রছাত্রী নিজ নিজ স্কুল থেকে অ্যাডমিট সংগ্রহ করতে পারবে ।

মিউনিসিপ্যাল সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষা । এখুনি আবেদন করুন



মিউনিসিপ্যাল সার্ভিস কমিশনের বিভিন্ন পদের পরীক্ষা ঘোষণা হয়ে গেছে। নিম্মনলিখিত পদের পরীক্ষার সময়সূচী ও কিভাবে ই-আডমিট কার্ড ডাউনলোড করবেন দেওয়া রইল ঃ

পদের নাম ঃ
  • স্টেনোগ্রাফার
  • সাব-অ্যাসি ইঞ্জিনিয়ার (সিভিল)
  • অ্যাসিস্ট্যান্ট টাউন প্ল্যানার
  • ক্লার্ক
  • ড্রাফট্ম্যান
  • অ্যাসিস্ট্যান্ট প্ল্যানার
  • ওয়ার্ক অ্যাসিস্ট্যান্ট

পরীক্ষার সময়সূচী ঃ 
  • স্টেনোগ্রাফার পদের পরীক্ষা ২৯ নভেম্বর ।
  • সাব-অ্যাসি ঃ ইঞ্জিনিয়ার (সিভিল) পদের পরীক্ষা ২৯ নভেম্বর ।
  • অ্যাসিস্ট্যান্ট টাউন প্ল্যানার পদের পরীক্ষা ২৯ নভেম্বর ।
  • অ্যাসি ইঞ্জিনিয়ার (সিভিল) পদের পরীক্ষা ৬ ডিসেম্বর ।
  • বিজ্ঞপ্তি নং ঃ ২/২০২০' এর ক্লার্ক পদের পরীক্ষা ২৯ নভেম্বর
  • ড্রাফট্ম্যান পদের পরীক্ষা ২০ ডিসেম্বর ।
  • অ্যাসিস্ট্যান্ট প্ল্যানার পদের পরীক্ষা ২৭ ডিসেম্বর ।
  • ওয়ার্ক অ্যাসিস্ট্যান্ট পদের পরীক্ষা ২৭ ডিসেম্বর ।

অ্যাডমিট কার্ড ডাউনলোড করার ওয়েবসাইট ঃ 

আরো বিভিন্ন নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেজটিকে অবশ্যয় লাইক করুন https://www.facebook.com/CareerObject/

দু’লাখ সরকারি চাকরির ঘোষণা মমতার

 


ভোটের দিকে তাকিয়ে এ বার ঘোষণায় কল্পতরু রাজ্য সরকার।

ঠিক সময়ে ভোট হলে হাতে রয়েছে সাকুল্যে আর দশটি মাস। তার আগেই এ দিন ২ লক্ষ সরকারি চাকরি দেওয়ার কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার নবান্নে রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর এই খবর জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘রাজ্যে নতুন হাসপাতাল হচ্ছে, স্কুল-কলেজ হচ্ছে। বাড়ছে সরকারি কাজ। অথচ শূন্যপদ অনেক। লোক না-নিলে চলবে কী করে?’’ এক বছরের মধ্যেই নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ হয়ে যাবে বলেও ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। একই সঙ্গে রাজ্যের ১ লাখ ৩০ হাজার সি‌ভিক ভলান্টিয়ারের মাসিক বেতনও ২৮০০ থেকে বাড়িয়ে ৫৫০০ করার কথা বলেছেন তিনি।

তৃণমূল ক্ষমতায় এসেছে চার বছর। তার পর থেকে রাজ্যে কর্মসংস্থানের হিসেব দিতে গিয়ে নানা সময়ে নানা তথ্য দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী-সহ একাধিক মন্ত্রী। যার হিসাব মেলাতে কালঘাম ছুটেছে শীর্ষ আমলাদের। এর ব্যাখ্যা দিয়ে কেউ কেউ জানিয়েছেন, একশো দিনের প্রকল্পে কিছু দিনের জন্য মাটি কাটার কাজ, চুক্তির ভিত্তিতে ঠিকে কাজ, এমনকী বেসরকারি সংস্থায় নিয়োগকেও ‘কর্মসংস্থান’ বলে দেখানো হয়েছে! তাই মন্ত্রীদের কথায় কর্মসংস্থান সব সময়েই লক্ষের অঙ্ক ছাড়িয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী ২ লক্ষ সরকারি চাকরির কথা ঘোষণা করায় তাই স্বচ্ছতার প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধীরা।

নবান্নের খবর, চলতি অর্থবর্ষের জন্য বিধানসভায় যে বাজেট গৃহীত হয়েছে, সেখানে ২৩ লক্ষ কর্মসংস্থানের কথা ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পে দু’বছরে ১২ লক্ষ লোক কাজ পাবেন। এই শিল্পে রাজ্যে ৩৭ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ হচ্ছে বলে দাবি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, গত চার বছরে আড়াই লক্ষ সরকারি চাকরি হয়েছে। এর মধ্যে ১ লক্ষ ৮৫ হাজার নিয়োগ হয়েছে পুলিশ এবং সিভিক ভলান্টিয়ার পদে। বাকি চাকরি হয়েছে প্রাথমিক-মাধ্যমিক শিক্ষক এবং কেরানি পদে। মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী এক বছরের মধ্যে আরও ২ লক্ষ চাকরি হবে। বিরোধীদের প্রশ্ন, কীসের ভিত্তিতে তিনি এই তথ্য দিচ্ছেন!

বিরোধী দলনেতা সূর্যকান্ত মিশ্র বলেছেন, ‘‘শূন্যপদে নিয়োগ হলে আপত্তির কিছু নেই। কিন্তু টেট কেলেঙ্কারি ও গ্রুপ-ডি পদে নিয়োগে কেলেঙ্কারির পরে স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন ওঠে— এ বারের এই নিয়োগ স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ ভাবে হবে তো?’’ বিজেপি বিধায়ক শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই তৃণমূল নেতারা পাড়ায় পাড়ায় কাউন্টার খুলে ফেলেছেন। ভোটের আগে ফর্ম ছাপিয়ে তোলাবাজির নতুন পথ দেখালেন মুখ্যমন্ত্রী।’’

মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণায় প্রশাসনের অন্দরমহলেই প্রশ্ন উঠেছে, অর্থের অভাবে যেখানে সরকারি কর্মীদের ৪৮% ডিএ বকেয়া রয়েছে, সেখানে কোন যুক্তিতে নতুন লোক নিয়োগ করে বোঝা বাড়ানো হচ্ছে? অর্থ দফতরের এক কর্তা জানান, চলতি অর্থ বছরের শেষে রাজ্যের ঘাড়ে ঋণের বোঝা দাঁড়াবে প্রায় তিন লক্ষ কোটি টাকা। বেতন-পেনশন খাতে খরচ হবে ৪৭ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। আরও ২ লক্ষ কর্মচারী নিয়োগ হলে বছরে আরও প্রায় সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকার বোঝা চাপবে। শীর্ষ আমলাদের আশঙ্কা— যদি শেষ পর্যন্ত নিয়োগ হয়ও, সময়মতো বেতন দেওয়া নিয়ে ঘোর সঙ্কটে পড়তে পারে সরকার।

প্রশ্ন উঠেছে, লোক নিয়োগের প্রয়োজনীয়তা নিয়েও। অনেকের মতে, সরকারি অফিসে প্রতিদিন যা কাজ হয়, তা বর্তমান কর্মীসংখ্যাতেই অনায়াসে করে ফেলা যায়। এ প্রসঙ্গে অনেকে বেসরকারি সংস্থার কাজের পরিবেশের কথা টেনে আনছেন। তাঁদের কথায়, সরকারি অফিসে কর্ম-সংস্কৃতি ফেরানোটা বেশি জরুরি। এই কাজটি করতে পারলে এই কর্মীবাহিনী দিয়েই কর্তারা কাজ করিয়ে নিতে পারবেন। কিন্তু শাসক দল এই পথে হাঁটতে রাজি নন। এর জন্য রাজনৈতিক তাগিদই বেশি বলে মনে করছেন আমলাদের একাংশ। সেই কারণেই ভোটের দিকে তাকিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর আজকের ঘোষণা।

রাজ্যের কর্মিবর্গ প্রশাসনিক সংস্কার দফতরের এক কর্তা জানান, বেশ কিছু দফতরে শূন্য পদ রয়েছে এটা যেমন ঠিক, তেমনই আবার অনেক দফতরে প্রয়োজনের তুলনায় কর্মীসংখ্যা যথেষ্ট বেশি। বিভিন্ন দফতরে কর্মীসংখ্যায় ভারসাম্য আনতে বছর কয়েক আগে মুখ্যসচিবের নেতৃত্বে প্রশাসনিক সংস্কার কমিটি কিছু সুপারিশ করেছিল। তা মেনে বেশ কয়েকটি বন্ধ ও রুগ্ণ রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা থেকে বিভিন্ন দফতরে কর্মী পাঠানোর কাজও শুরু হয়েছিল। তার মধ্যেই মুখ্যমন্ত্রীর এ দিনের ঘোষণায় তাই আমলাদের একাংশ বিস্মিত।

বিস্ময়ের আরও কারণ রয়েছে। মাত্র দশ মাসের মধ্যে কী ভাবে ২ লক্ষ কর্মী নিয়োগ করা সম্ভব, সেটা ভেবে পাচ্ছেন না আমলারা।

সরকার জানিয়েছে, ২ লক্ষের মধ্যে ৬০ হাজার গ্রুপ-ডি পদে, ৭০ হাজার করণিক বা গ্রুপ-সি মর্যাদার বিভিন্ন পদে এবং ৭০ হাজার নিয়োগ করা হবে শিক্ষক পদে। নবান্নের খবর, সরকারের স্টাফ সিলেকশন কমিটির মাধ্যমে গত তিন বছরে গ্রুপ-সি পদে কমবেশি ৪ হাজার নিয়োগ করা হয়েছে। এসএসসি সূত্রের দাবি, সরকারি চাকরি দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকে নিয়োগ পর্যন্ত সময় লেগে যায় এক বছরের বেশি। দু’টি লিখিত পরীক্ষা এবং ইন্টারভিউয়ের মাধ্যমে যদি নিয়োগ করতে হয়, তা হলে সময় আরও বেশি লাগে। ফলে যে ৭০ হাজার গ্রুপ-সি কর্মী নিয়োগের কথা বলা হয়েছে, তা এক বছরের মধ্যে শেষ প্রায় অসম্ভব।

তবে স্কুল সার্ভিস কমিশন ও রাজ্য প্রাথমিক বোর্ডের কর্তারা জানিয়েছেন, মামলা-মোকদ্দমা না হলে পরের বিধানসভা ভোটের আগেই ৬০ হাজার শিক্ষক নিয়োগ করে ফেলা সম্ভব। আর যে হেতু ৬০ হাজার গ্রুপ-ডি পদে সংশ্লিষ্ট দফতরগুলি সরাসরি নিয়োগ করবে, সুতরাং সেই নিয়োগেও বিশেষ সময় লাগবে না।

নবান্নের এক কর্তা জানান, ভোটের আগে এই নিয়োগ সংক্রান্ত ঘোষণা বাস্তবায়িত করার চাপ এলে অর্থ দফতর যে সঙ্কটে পড়বে তাতে সন্দেহ নেই। অর্থ দফতরের এক কর্তার কথায়, ‘‘রাজ্যের এখন বেতন-পেনশন খাতে খরচ সাড়ে ৪৭ হাজার কোটি টাকা। অথচ নিজস্ব কর বাবদ সরকারের আয় ৪২ হাজার কোটি। এর পরে আরও ২ লক্ষ লোক নিয়োগপত্র পেলে বেতন দেওয়ার খরচ ৫০ হাজার কোটি টাকা ছাড়াবে। এর অর্থ, বেতন-পেনশনের টাকাটুকুও সরকার নিজেদের কর আদায় থেকে তুলতে পারবে না। ফলে এ কাজেও কেন্দ্রের মুখাপেক্ষী হয়ে থাকতে হবে।’’

কী হলে কী হতে পারে : আপাতত তা ভেবে লাভ নেই বলেই মনে করছেন নবান্নের কর্তারা। তাঁরা জানাচ্ছেন, ভোটের আগে কল্পতরু মুখ্যমন্ত্রীর তরফে আরও অনেক প্রতিশ্রুতির কথা শোনা যাবে। কিন্তু এর কতটা সরকার বাস্তবায়িত করতে পারবে, তা নিয়ে খুবই সন্দেহ আছে।

এ দিন মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী শুধু নতুন চাকরির কথায় বলেননি, বেশ কিছু পদের বেতন বৃদ্ধির কথাও বলেছেন তাঁর কথায়, ‘‘১ লক্ষ ৩০ হাজার সিভিক ভলান্টিয়ারের বেতন এত দিন মাসে ২৮০০ টাকা ছিল। এটা বাড়িয়ে ৫৫০০ টাকা করে দেওয়া হচ্ছে। আর কন্যাশ্রীর ভাতা বছরে ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭৫০ টাকা করা হচ্ছে।’’ তিনি জানান, এর পরে সিভিক ভলান্টিয়ারদের থেকে ১০ শতাংশকে যোগ্যতার ভিত্তিতে হোমগার্ডে চাকরি দেওয়া হবে। ভলান্টিয়াররা বছরে ১৪ দিন সবেতন ছুটিও পাবেন।

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফ থেকে ক্লাস এইট পাশ ও মাধ্যমিক পাশেদের জন্য সরকারি চাকরি।

 



আপনিও যদি চাকরির প্রতীক্ষায় রয়েছেন যদি আপনার যোগ্যতা এইট পাস বা মাধ্যমিক পাস তাহলে খবরটা হতে পারে আপনার জন্যে। পশ্চিমবঙ্গের সরকারের তরফ থেকে একটা বিরাট আপডেট উঠে এসেছে। উত্তর ২৪ পরগনায় নৈহাটিতে রয়েছে কিছু বিশেষ সরকারি চাকরি,তার মধ্যে রয়েছে পাম্প অপারেটর, ড্রাইভার, ক্লার্ক ও তার সাথে সাথে জেনারেল মজদুর, সরকারের বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে নূন্যতম বেতন হল ১৭০০০ টাকা। জেনারেল পোস্ট এর জন্য আপনার ন্যূনতম যোগ্যতা এইট পাস হলেই চলবে কিন্তু বাকি গুলোর জন্য আপনাকে মাধ্যমিক পাস হতে হবে।যদিও চাকরি গুলোর জন্য নূন্যতম বয়স সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮ থেকে ৪০ বছর পর্যন্ত । হ্যাঁ আপনার জন্য বিশেষ সুযোগ থাকতে পারে যদি আপনি তপশীল জাতি বা তপশিলি উপজাতির আওতায় পড়েন।পুরো অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমটি করা হবে অফলাইনে, আপনাকে নৈহাটি করপোরেশন এর Website- https://www.naihatimunicipality.in/ থেকে From বার করতে হবে, এবং সেটিকে ফিলাপ করে নৈহাটি মিনসিপাল্টি বিভাগের অ্যাড্রেস এ পোস্ট করে দিতে হবে, আবেদনের ডেট দেওয়া হয়েছে ১২ ই নভেম্বর থেকে ২৪ শে নভেম্বর পর্যন্ত।