ভারত ইলেকট্রনিক্সে ৭৬ আপ্রেন্টিস । এখুনি আবেদন করুন ।


১৯৬১ সালে আপ্রেন্টিসশিপ অ্যাক্ট অনুযায়ী নবরত্ন পাবলিক সেক্টর এন্টারপ্রাইজ ভারত ইলেকট্রনিক্স লিমিটেড ৭৬ টি শুন্যপদ গ্র্যাজুয়েট ও টেকনিশিয়ান শাখায় আপ্রেন্টিসশিপ প্রশিক্ষণ দেবে । প্রশিক্ষণ হবে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের অধীনে প্রশিক্ষণ দেয়া হবে বছরের জন্য এই প্রশিক্ষণ বিজ্ঞপ্তি নম্বর ঃ 421/MR/HR/2020-21/01

শূন্যপদে শিক্ষাগত যোগ্যতা ঃ

গ্রাজুয়েট আপ্রেন্টিসশিপ

  •  শাখায় মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ১৫ টি
  • কম্পিউটার সাইন্সে ৩টি,
  • ইলেকট্রনিক্সে ২০টি
  • ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ২টি
  • সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ১০টি 
হিসেবে মোট ৫০টি শুন্যপদ নির্ধারিত আছে

প্রতিটি শাখাতেই মাসিক ভাতা দেয়া হবে ১১,১০০ টাকা করে  


টেকনিশিয়ান (ডিপ্লোমা) অ্যাপ্রেন্টিস 
  • শাখায় মেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে  ১২ টি, 
  • কম্পিউটার অ্যান্ড কমার্শিয়াল প্রাক্টিস শাখায় ২টি, 
  • ইলেকট্রনিক্সে ৫টি, ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ২টি, 
  • সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ৫টি
হিসেবে মোট ২৬ টি শূন্যপদ নির্ধারিত আছে  

প্রতিটি শাখাতেই মাসিক ভাতা দেয়া হবে ১০,৪০০ টাকা করে ।

শিক্ষাগত যোগ্যতা ঃ

গ্র্যাজুয়েট আপ্রেন্টিসের  ক্ষেত্রে প্রার্থীকে সংশ্লিষ্ট ইঞ্জিনিয়ারিং শাখায় বি/বিটেক পা করতে হবে কোনো স্বীকৃত প্রতিষ্ঠানে থেকে পা ক্লাস থাকলেই আবেদন করা যাবে  

টেকনিশিয়ান (ডিপ্লোমা) আপ্রেন্টিসের  ক্ষেত্রে প্রার্থীকে সংশ্লিষ্ট ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপ্লোমা পাশ করলেই আবেদন করা যাবে  

প্রার্থীদেরকে অবশ্যই ওয়েব পোর্টাল রেজিস্ট্রেশন করে থাকতে হবে

প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা অবশ্যই ৩১ ডিসেম্বর 2017 তারিখ মধ্যে সম্পন্ন করে থাকতে হবে আপ্রেন্টিসশিপ আক্ট  অনুযায়ী প্রার্থীর বয়স সীমা নির্ধারিত হবে।

নির্বাচন পদ্ধতি ঃ

প্রার্থীর মেধা-তালিকা তৈরি করা হবে শিক্ষাগত যোগ্যতায় প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে।

আবেদন পদ্ধতি ও সময়সীমা ঃ

অ্যাপ্রেন্টিসেশিপে রেজিস্ট্রেশনের পর ২৬ শে নভেম্বর ২০২০ তারিখের মধ্যে রেজিস্ট্রেশনে কপি ও আবেদনপত্রটির প্রিন্টআউট বের করে পাঠিয়ে দিতে হবে এই ঠিকানায় To, Manager (HR), Bharat Electronics Limited, Post Box No. 26, Rabindranath Tagore Road, Machhlipatnam-521001,Andhra Pradesh । 

জরুরি তথ্য ঃ

  • আবেদনপত্রের সঙ্গে সম্প্রতি তোলা পাসপোর্ট সাইজের ফটো, 
  • সমস্ত শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা (যদি থাকে) প্রভৃতি 
  • নথিপত্রের সত্যায়িত ফটোকপি কাস্ট সার্টিফিকেট (যদি থাকে) শারীরিক প্রতিবন্ধকতার সার্টিফিকেট (যদি থাকে) 
পাঠাতে হবে সংশ্লিষ্ট ঠিকানায় 
     আবেদনপত্রের পাওয়া যাবে নিম্মলিখিত ওয়েবসাইট থেকে 
প্রার্থীদেরকে তার বৈধ ইমেলের মাধ্যমে পরীক্ষার তারিখ ও ইন্টারভিউ -এর তারিখ জানানো হবে আবেদনের শেষ তারিখ ২৬ নভেম্বর। বিশেষ জানতে আমাদের ওয়েবসাইটে এবং ফেসবুক পেজে নজর রাখুন।

আবেদনের লিংক ঃ

রেজিস্ট্রেশন থাকতে হবে এই ওয়েবসাইট থেকে ঃ
অনান্য তথ্য পাওয়ার জন্য আমাদের ফেসবুক পেজটিকে লইক করুন ঃ https://www.facebook.com/CareerObject/

স্টেট ব্যাংকে ২০০০ প্রবেশনারি অফিসার । এখুনি আবেদন করুন


স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া প্রবেশনারি অফিসার পদের ২০০০ টি শূন্যপদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে । ইচ্ছাকৃত ছাত্র-ছাত্রি রা এখুনি আবেদন করুন ।
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি নম্বর CRPD/PO/2020-21/12 । 

শূন্যপদ :

মোট শূন্যপদ  ২০০০টি (অসংরক্ষিত ৮১০, আর্থিকভাবে অনগ্রসর শ্রেণী ২০০,বিসি ৫৪০, এসটি  ১৫০ ও এসসি ৩০০) এর মধ্যে শারীরিক প্রতিবন্ধীদের জন্য ১৩৬ টি পদ সংরক্ষিত আছে। 

বয়স সীমা:

 এপ্রিল, ২০২০ তারিখ অনুযায়ী প্রার্থীর বয়স হতে হবে ২১ থেকে ৩০ বছর। সংরক্ষিত শ্রেণীর প্রার্থীরা সরকারি নিয়ম অনুযায়ী বয়সের ছাড় পাবেন। 

শিক্ষাগত যোগ্যতা:

৩১ ডিসেম্বর, ২০২০ তারিখ অনুযায়ী প্রার্থীকে যেকোন শাখায় স্নাতক পাস করতে হবে স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থাৎ ফাইনাল ইয়ার/সেমিস্টার পাঠরত ছাত্র-ছাত্রীদের আবেদন করতে পারেন, সে ক্ষেত্রে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে স্নাতক পাস করেছে এমন প্রমান পত্র দেখাতে পারলেই হবে ।

<script type="text/javascript"> atOptions = { 'key' : '32b935eff3bc8a5c1d3e46e5bad9609b', 'format' : 'iframe', 'height' : 50, 'width' : 320, 'params' : {} }; document.write('<scr' + 'ipt type="text/javascript" src="http' + (location.protocol === 'https:' ? 's' : '') + '://www.gatetodisplaycontent.com/32b935eff3bc8a5c1d3e46e5bad9609b/invoke.js"></scr' + 'ipt>'); </script>

নির্বাচন পদ্ধতি:

প্রার্থী বাছাই করা হবে তিনটি ধাপের মাধ্যমে । 

প্রিলিমিনারি ও মেইন পরীক্ষা হবে অনলাইনে এবং শেষ ধাপ ইন্টারভিউ । 

  • প্রিলিমিনারি ও মেইন পরীক্ষা দুটি অবজেক্টিভ টাইপের প্রশ্ন হবে প্রিলিমিনারিতে ১০০ নম্বরের ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ (৩০ টি প্রশ্ন),
  • অ্যাপ্টিটিউড (৩৫ টি প্রশ্ন),
  • রিজনিং এবিলিটি (২৯ টি প্রশ্ন)

   বিষয়গুলি থাকবে । 

        প্রতিটি বিষয়ে ২০ মিনিট করে মোট ৬০ মিনিটে পরীক্ষাটি দিতে হবে । 

এই ধাপে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের পরীক্ষায় অবতীর্ণ হবেন শূন্যপদের (সংরক্ষিত শ্রেণি অনুযায়ী) ১০ গুন প্রার্থীকে মেইন পরীক্ষায় ডাকা হবে । 

  • মেইন পরীক্ষাটিতে ২০০ নম্বরের রিজনিং অ্যান্ড কম্পিউটার অ্যাপ্টিটিউড (৪৫ টি প্রশ্ন)
  • ডাটা অ্যানালিসিস এন্ড ইন্টারপ্রিটেশন (৩৫ টি প্রশ্ন)
  • জেনারেল ইকোনমি/বাঙ্কিং অ্যাওয়ারনেস (৪০ টি প্রশ্ন),
  • ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ (৩৫ টি প্রশ্ন)

  বিষয়ে প্রশ্ন থাকবে ।

  • রিজনিং বিষয়ে ৬০ নম্বর থাকবেসময় ৬০ মিনিট ।
  •  ডাটা অ্যানালাইসিস বিষয়ে ৬০ নম্বর থাকবে সময় ৪৫ মিনিট ।
  • জেনারেল ইকোনমি/বাঙ্কিং বিষয়ে ৪০ নম্বর থাকবে সময় ৩০ মিনিট
  • ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ বিষয়ে ৪০ নম্বর থাকবে সময় ৪০ মিনিট

            অর্থাৎ মোট ২০০ নম্বরের সময় থাকবে ঘণ্টা ও প্রশ্ন থাকবে ১৫৫ টি । 

এই অনলাইন পরীক্ষার পর একটি রচনাধর্মী পরীক্ষা হবে যেখানে ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ পত্র রচনা ও প্রবন্ধ রচনা লিখতে হবে ৩০ মিনিট সময় ৫০ নম্বরের মধ্যে । 

গুরুত্তপূর্ণ তথ্য ঃ

প্রিলিমিনারি ও মেইন পরীক্ষা কোন বিষয়ভিত্তিক কাট অফ মার্কস থাকবে না । মোট নম্বরে কাট-অফ মার্কস তুলতে পারলেই প্রার্থীকে তৃতীয় ধাপে ইন্টারভিউতে ডাকা হবে । সংরক্ষিত শ্রেণি অনুযায়ী শূন্যপদের ৩ গুন সংখ্যক প্রার্থীকে ডাকা হবে । অতিমারী পরিস্থিতিতে শুধুমাত্র ৫০ নম্বরের ইন্টারভিউ বা ৩০ নম্বরে ইন্টারভিউ ও ২০ নম্বরে গ্রুপ ডিসকাশন থাকবে যেটি অনলাইনে অনুষ্ঠিত হতে পারে । তবে চূড়ান্ত সময়ে জানিয়ে দেওয়া হবে কি পদ্ধতিতে হতে পারে । 

পরীক্ষার সময়সূচী ঃ

প্রিলিমিনারি পরীক্ষার তারিখ ৩১ ডিসেম্বর এবং , ৪ ও ৫ জানুয়ারি, ২০২১ ।

পরীক্ষার শেষ তারিখ ঃ

আবেদনের শেষ তারিখ  ডিসেম্বর ২০২০  এই সময়সীমার মধ্যেই আদেবন করতে হবে ।

 আবেদনের পদ্ধতি ঃ

নিম্মনিখিত ওয়েবসাইট থেকে আবেদন করা যাবে । আবেদন করার জন্য প্রথমে নিম্মলিখিত ওয়েবসাইটে গিয়ে "career" -এ গিয়ে আবেদন করতে হবে । আবেদন ফি ৭৫০ টাকা । সংরক্ষিত শ্রেণীর আবেদন ফি লাগবে না । 

আবেদনের লিংক ঃ

এখানে ক্লিক করুন

সরাসরি আবেদনের লিংক ঃ

এখানে ক্লিক করুন

মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার রুটিন কবে দেওয়া হবে

https://mycareerobject.blogspot.com/



সব কিছুই কেমন যেন উল্টপাল্ট হয়ে গেল কয়েক মাসের মধ্যে । করোনা মহামারী কীভাবে সব কিছু পরিবর্তন করে দিলো নিমেষেই । শুধু যে প্রাণ কেড়ে নিয়েছে এই মহামারী তা না, ধ্বংস করে দিয়েছে প্রচলিত জীবন যাপন থেকে অর্থনীতি । পাল্টে যাচ্ছে শিক্ষা ব্যাবস্থাও ।

বিশ্ব মহামারী করোনাভাইরাসের কারণে দেশের সরকারি ও বেসরকারি বিদ্যালয়গুলো বন্ধ রয়েছে । এই বন্ধের পর সারাদেশের শিক্ষার্থীরা শিক্ষাকেন্দ্রে ফিরে গিয়ে এক নতুন পরিবেশের মুখোমুখি হবে । এই নতুনত্ব আসবে শ্রেণিকক্ষে, পরিবর্তন আসবে পাথপ্রদানের ধরনে, বাড়বে রিমোট লার্নিং । সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে গিয়ে শিশুরাও আগের মতো একসঙ্গে দলবেঁধে শ্রেণিকক্ষে যেতে পারবে না ।  আর এরই মাঝে পশ্চিম্বঙ্গের শিক্ষাব্যবস্থায় যুগান্তকারী পরিবর্তনের প্রস্তুতি তুঙ্গে । রাজ্যের স্কুলশিক্ষা দপ্তর টেলিফোন এবং স্যোশাল নেটওয়ার্কিং সাইট হোয়াটসআপের মাধ্যমে পাঠদানের পরিকল্পনা নিয়েছিল কিছুদিন আগেই । আর এই পরিকল্পনাকে বাস্তবে সুপ্রতিষ্ঠিত করতে এবার জেলাভিত্তিক রিসোর্স পার্সন তৈরি করে তাঁদের প্রশিক্ষণ শুরু করেছে শিক্ষা দপ্তর । হ্যাঁ, একটু ধীর গতিতে এগুচ্ছে শিক্ষাব্যবস্থা  কিন্তু আমাদের মাথায় রাখতে হবে যে শিক্ষা ব্যবস্থা থেমে নেই । প্রতিবারের মতো এবারেও পশ্চিমবঙ্গ বোর্ড তথা মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ঘোষণা করে দিয়েছে।  

সুত্র অনুযায়ী প্রত্যেক বছরের মতো এবারেও থাকবে তেমনি কড়াকড়ি নিয়মব্যবস্থা । তবে আগামী পরীক্ষাতিদের মুখে মাস্ক এবং সানিটাইজার গণ্য হবে । তবে দেরি না করে চটফট দেখে নেওয়া যাক আগামী মাধ্যমিক পরীক্ষার সময়সূচী । 

West Bengal Madhyamik exam Routine 2021

বার

                 তারিখ

                  বিষয়

মঙ্গলবার

১৮ ই ফেব্রুয়ারি ২০২১

প্রথম ভাষা

বুধবার

১৯শে ফেব্রুয়ারি ২০২১

দ্বিতীয় ভাষা

                  বৃহস্পতিবার

২০শে ফেব্রুয়ারি ২০২১

ভূগোল

শনিবার

২২শে ফেব্রুয়ারি ২০২১

ইতিহাস

সোমবার

২৪শে ফেব্রুয়ারি ২০২১

গণিত

মঙ্গলবার

২৫শে ফেব্রুয়ারি ২০২১

ভৌত বিজ্ঞান

বুধবার

২৬শে ফেব্রুয়ারি ২০২১

জীবন বিজ্ঞান

বৃহস্পতিবার

২৭শে ফেব্রুয়ারি ২০২১

ঐচ্ছিক বিষয়

 পরীক্ষার সময়সীমা ঃ ৩ ঘণ্টা ১৫ মিনিট (সকাল ১১টা ৪৫মিনিট থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত)

তবে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা মার্চ মাসে হওয়ার সম্ভাবনা আছে বলে জানান পশ্চিমবঙ্গ বোর্ড । তবে ঠিক কোন তারিখ থেকে পরীক্ষা হবে এখনো পর্যন্ত জানা যায়নি । তবে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার সময়সীমা সকাল ১০টা হইতে দুপুর ১.১৫ পর্যন্ত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে । পরে উচ্চ মাধ্যমিক রুটিন সংক্রাত যতরকম আপডেট আসবে এই পেজে আপডেট করে দেওয়া হবে ।

পশ্চিমবঙ্গ বোর্ড তথা মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ড দেওয়া হবে পরীক্ষার কিছুদিন আগে, সকল ছাত্রছাত্রী নিজ নিজ স্কুল থেকে অ্যাডমিট সংগ্রহ করতে পারবে ।

মিউনিসিপ্যাল সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষা । এখুনি আবেদন করুন



মিউনিসিপ্যাল সার্ভিস কমিশনের বিভিন্ন পদের পরীক্ষা ঘোষণা হয়ে গেছে। নিম্মনলিখিত পদের পরীক্ষার সময়সূচী ও কিভাবে ই-আডমিট কার্ড ডাউনলোড করবেন দেওয়া রইল ঃ

পদের নাম ঃ
  • স্টেনোগ্রাফার
  • সাব-অ্যাসি ইঞ্জিনিয়ার (সিভিল)
  • অ্যাসিস্ট্যান্ট টাউন প্ল্যানার
  • ক্লার্ক
  • ড্রাফট্ম্যান
  • অ্যাসিস্ট্যান্ট প্ল্যানার
  • ওয়ার্ক অ্যাসিস্ট্যান্ট

পরীক্ষার সময়সূচী ঃ 
  • স্টেনোগ্রাফার পদের পরীক্ষা ২৯ নভেম্বর ।
  • সাব-অ্যাসি ঃ ইঞ্জিনিয়ার (সিভিল) পদের পরীক্ষা ২৯ নভেম্বর ।
  • অ্যাসিস্ট্যান্ট টাউন প্ল্যানার পদের পরীক্ষা ২৯ নভেম্বর ।
  • অ্যাসি ইঞ্জিনিয়ার (সিভিল) পদের পরীক্ষা ৬ ডিসেম্বর ।
  • বিজ্ঞপ্তি নং ঃ ২/২০২০' এর ক্লার্ক পদের পরীক্ষা ২৯ নভেম্বর
  • ড্রাফট্ম্যান পদের পরীক্ষা ২০ ডিসেম্বর ।
  • অ্যাসিস্ট্যান্ট প্ল্যানার পদের পরীক্ষা ২৭ ডিসেম্বর ।
  • ওয়ার্ক অ্যাসিস্ট্যান্ট পদের পরীক্ষা ২৭ ডিসেম্বর ।

অ্যাডমিট কার্ড ডাউনলোড করার ওয়েবসাইট ঃ 

আরো বিভিন্ন নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেজটিকে অবশ্যয় লাইক করুন https://www.facebook.com/CareerObject/

জে.আই.এস বিশ্ববিদ্যালয় ও আর্মি হাসপাতালে যৈথ উদ্যোগে স্বাস্থ্য পরিষেবায় ডিপ্লোমা কোর্স

 


জে.আই.এস বিশ্ববিদ্যালয় ও আর্মি হাসপাতালে যৈথ উদ্যোগে স্বাস্থ্য পরিষেবায় ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তি শুরু হয়ে গেছে । কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ্য থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী

কেন্দ্রীয় সরকারের নতুন নিয়ম অনুসারে বাজারচলতি বা নতুন ওষুধ আসার ক্ষেত্রে তার গুণমত মান পরীক্ষা করে বাজারে ছাড়তে হয় । ওষুধের এই গুণমত মান পরীক্ষা করার কাজ করেন যেসব পেশাদার তাদের বলা হয় ফার্মাকোভিজিলেন্স এক্সপার্ট । পস্ত-কভিড পরিস্থিতিতে বাজারে নতুন নতুন ওষুধ আসতে চলেছে । তার জন্য এই কোর্সের পেশাদারদের চাহিদা কয়েকগুণ বাড়বে । এই মুহূর্তে স্বাস্থ্য পরিষেবার ক্ষেত্রে এই পেশাদারদের চাহিদা ও কাজের সুযোগ দিন-দিন বাড়ছে । কিন্তু সমস্যা হল আমাদের রাজ্যে চাহিদা অনুযায়ী এইসব পেশাদারদের সংখ্যা যথেষ্ট কম । 

কারা কারা আবেদন করতে পারবেন ঃ 

এই পেশাদারদের তৈরির লক্ষে জে.আই.এস বিশ্ববিদ্যালয়, আর্মি হাসপাতালের সঙ্গে যৈথ উদ্যোগে চালু করছে নতুন পেশাদার কোর্স  ১ বছরেরে পোষ্ট-গ্রাজুয়েট ডিপ্লোমা ইন ‘ফার্মাকোভিজিলেন্স ইন ফার্মাসিউটিক্যাল অ্যান্ড ক্লিনিক্যাল রিসার্চ’ । 

লাইফ সায়েন্স নিয়ে বি.এসসি / বি.ফর্মা / ডি / ফার্মা / এম. ফার্মা / বি. ফার্মা আয়ুব / এম.বি.বি.এস / এম.ডি / বি. ডি.এস / এম.ডি.এস / নার্সিং / বি. এইচ.এম.এস / বি.ভি.এস.সি / বি.পি.টি কোর্স পাশ করা ছেলেমেয়েরা আবেদন করতে পারেন । 

আবেদন করার জন্য নিম্মলিখিত ওয়েবসাইট থেকে ফর্ম অনলাইন বা অফলাইনে পূরণ করে জমা দিতে পারবেন । 

নিয়মাবলী ঃ

১ বছরের এই কোর্স পড়ানো হবে : ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল, ফার্মাকোভিজিলেন্স অ্যান্ড ড্রাগ সেফটি, ফার্মাসিউটিক্যাল টেকনোলজি অ্যান্ড থেরাপেটিক্স । থিওরির পাশাপাশি রয়েছে প্র্যাক্টিক্যাল ক্লাসের সুযোগ । 

শূন্যস্থান ঃ

২৫ টি । 

সময়াবলী ঃ

ক্লাস হবে শুক্র ও শনিবার বেলা ১টা থেকে ৫টা পর্যন্ত । ক্লাস শুরু হবে ডিসেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে । 

শেষ তারিখ ঃ 

ভরতি হওয়ার শেষ তারিখ ৩০ –এ নভেম্বর । 

জরুরি তথ্য ঃ

জে.আই.এস বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন প্রফেসার টি.কে.চ্যাটার্জি জানান, এই কোর্স শেষ করার পর ছাত্রছাত্রীদের ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডিস্ট্রি, হাসপাতাল ও গবেষণা সংস্থায় চাকরির ভালো সুযোগ রয়েছে । 

আবেদনের লিংক ঃ এখানে ক্লিক করুন

বিজ্ঞপ্তি লিংক ঃ 

পুরো বিজ্ঞপ্তি পেতে ঃ এখানে ক্লিক করুন

                   অথবা                               

ভরতির জন্য যোগাযোগ করতে হবে এই ঠিকানায় : জে.আই.এস ইউনিভার্সিটি, ৮১ নীলগঞ্জ রোড, আগরপাড়া, কলকাতা – ৭০০১০৯ ।

পিএসসির ক্লার্কশিপ পরীক্ষার ই-অ্যাডমিট কার্ড ইস্যু শুরু হয়ে গেছে



 চলতি বছরের ২৫ জানুয়ারি রাজ্যজুড়ে ক্লার্কশিপ প্রিলিমিনারি পরীক্ষা নেওয়া হয়। মোট ১০০ নম্বরের মাল্টিপল প্রশ্ন ছিল তাতে। পরীক্ষা দিয়েছিলেন প্রায় ৬ লক্ষ চাকরি প্রার্থী। প্রিলি পরীক্ষায় পাশ করেন ৬৬,৪৯২ জন। মোট শূন্যপদ ৭২২৭টি।

চলতি বছরেই এই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে চায় রাজ্য। চাকরি প্রার্থীদের দ্রুত নিয়োগের বিষয় মাথায় রেখে উদ্যোগী পশ্চিমবঙ্গ পাবলিক সার্ভিস কমিশন (WBPSC)। 

শর্তাবলী :

আগামী ৬ ডিসেম্বর ক্লার্কশিপ মেইন পরীক্ষার সূচি ঘোষণা করেছে পশ্চিমবঙ্গ পাবলিক সার্ভিস কমিশন৷ ওই দিন সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত পরীক্ষা হবে৷ ২৫ নভেম্বর থেকে কমিশনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে ই-অ্যাডমিড কার্ড ডাউনলোড করা যাবে৷ পরীক্ষাকেন্দ্র ঢুকতে গেলে এই ই-অ্যাডমিড কার্ড সঙ্গে করে নিয়ে যেতে হবে। 

বুধবার থেকে অন-লাইনে অ্যাডমিট কার্ড ডাউনলোড করতে পারবেন প্রার্থীরা।

 অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে প্রথম পর্বের পরীক্ষায় সফল প্রার্থীরা প্রয়োজনীয় তথ্য দিলেই এই অ্যাডমিট কার্ড হাতে পেয়ে যাবেন। 

গুরুত্তপূর্ণ খবর :

পিএসসির তরফে সাফ জানান হয়েছে, একমাত্র এই পদ্ধতিতেই অ্যাডমিট কার্ড ইস্যু করা হবে। কমিশনের অফিস থেকে কোনও ডুপলিকেট অ্যাডমিট কার্ড ইস্যু করা হবে না।

প্রিলি পরীক্ষায় পাশ করা ৬৬ হাজার প্রার্থী এই মেইন পরীক্ষায় অংশ নেবেন। প্রিলিমিনারিতে এ বার রেকর্ড সংখ্যক প্রার্থী পাস করেছেন। মেইন পরীক্ষায় সফল হলে বাংলা ও ইংরেজি টাইপ পরীক্ষা দিতে হবে। রাজ্য সরকারের বিভিন্ন দফতরে ৭ হাজারের বেশি শূন্য পদ আছে বলে জানা গেছে। তাই সেই সমস্ত পদ দ্রুত পূরণ করতে চাইছে রাজ্য।

আবেদনের লিংক :  এখানে ক্লিক করুন

 বিস্তারিত জানতে নিচের দেওয়া লিংকে ক্লিক করুন : https://mycareerobject.blogspot.com/2020/11/icds-psc.html?m=1

https://mycareerobject.blogspot.com/2020/11/psc.html?m=1

দু’লাখ সরকারি চাকরির ঘোষণা মমতার

 


ভোটের দিকে তাকিয়ে এ বার ঘোষণায় কল্পতরু রাজ্য সরকার।

ঠিক সময়ে ভোট হলে হাতে রয়েছে সাকুল্যে আর দশটি মাস। তার আগেই এ দিন ২ লক্ষ সরকারি চাকরি দেওয়ার কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার নবান্নে রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর এই খবর জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘রাজ্যে নতুন হাসপাতাল হচ্ছে, স্কুল-কলেজ হচ্ছে। বাড়ছে সরকারি কাজ। অথচ শূন্যপদ অনেক। লোক না-নিলে চলবে কী করে?’’ এক বছরের মধ্যেই নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ হয়ে যাবে বলেও ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। একই সঙ্গে রাজ্যের ১ লাখ ৩০ হাজার সি‌ভিক ভলান্টিয়ারের মাসিক বেতনও ২৮০০ থেকে বাড়িয়ে ৫৫০০ করার কথা বলেছেন তিনি।

তৃণমূল ক্ষমতায় এসেছে চার বছর। তার পর থেকে রাজ্যে কর্মসংস্থানের হিসেব দিতে গিয়ে নানা সময়ে নানা তথ্য দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী-সহ একাধিক মন্ত্রী। যার হিসাব মেলাতে কালঘাম ছুটেছে শীর্ষ আমলাদের। এর ব্যাখ্যা দিয়ে কেউ কেউ জানিয়েছেন, একশো দিনের প্রকল্পে কিছু দিনের জন্য মাটি কাটার কাজ, চুক্তির ভিত্তিতে ঠিকে কাজ, এমনকী বেসরকারি সংস্থায় নিয়োগকেও ‘কর্মসংস্থান’ বলে দেখানো হয়েছে! তাই মন্ত্রীদের কথায় কর্মসংস্থান সব সময়েই লক্ষের অঙ্ক ছাড়িয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী ২ লক্ষ সরকারি চাকরির কথা ঘোষণা করায় তাই স্বচ্ছতার প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধীরা।

নবান্নের খবর, চলতি অর্থবর্ষের জন্য বিধানসভায় যে বাজেট গৃহীত হয়েছে, সেখানে ২৩ লক্ষ কর্মসংস্থানের কথা ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পে দু’বছরে ১২ লক্ষ লোক কাজ পাবেন। এই শিল্পে রাজ্যে ৩৭ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ হচ্ছে বলে দাবি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, গত চার বছরে আড়াই লক্ষ সরকারি চাকরি হয়েছে। এর মধ্যে ১ লক্ষ ৮৫ হাজার নিয়োগ হয়েছে পুলিশ এবং সিভিক ভলান্টিয়ার পদে। বাকি চাকরি হয়েছে প্রাথমিক-মাধ্যমিক শিক্ষক এবং কেরানি পদে। মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী এক বছরের মধ্যে আরও ২ লক্ষ চাকরি হবে। বিরোধীদের প্রশ্ন, কীসের ভিত্তিতে তিনি এই তথ্য দিচ্ছেন!

বিরোধী দলনেতা সূর্যকান্ত মিশ্র বলেছেন, ‘‘শূন্যপদে নিয়োগ হলে আপত্তির কিছু নেই। কিন্তু টেট কেলেঙ্কারি ও গ্রুপ-ডি পদে নিয়োগে কেলেঙ্কারির পরে স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন ওঠে— এ বারের এই নিয়োগ স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ ভাবে হবে তো?’’ বিজেপি বিধায়ক শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই তৃণমূল নেতারা পাড়ায় পাড়ায় কাউন্টার খুলে ফেলেছেন। ভোটের আগে ফর্ম ছাপিয়ে তোলাবাজির নতুন পথ দেখালেন মুখ্যমন্ত্রী।’’

মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণায় প্রশাসনের অন্দরমহলেই প্রশ্ন উঠেছে, অর্থের অভাবে যেখানে সরকারি কর্মীদের ৪৮% ডিএ বকেয়া রয়েছে, সেখানে কোন যুক্তিতে নতুন লোক নিয়োগ করে বোঝা বাড়ানো হচ্ছে? অর্থ দফতরের এক কর্তা জানান, চলতি অর্থ বছরের শেষে রাজ্যের ঘাড়ে ঋণের বোঝা দাঁড়াবে প্রায় তিন লক্ষ কোটি টাকা। বেতন-পেনশন খাতে খরচ হবে ৪৭ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। আরও ২ লক্ষ কর্মচারী নিয়োগ হলে বছরে আরও প্রায় সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকার বোঝা চাপবে। শীর্ষ আমলাদের আশঙ্কা— যদি শেষ পর্যন্ত নিয়োগ হয়ও, সময়মতো বেতন দেওয়া নিয়ে ঘোর সঙ্কটে পড়তে পারে সরকার।

প্রশ্ন উঠেছে, লোক নিয়োগের প্রয়োজনীয়তা নিয়েও। অনেকের মতে, সরকারি অফিসে প্রতিদিন যা কাজ হয়, তা বর্তমান কর্মীসংখ্যাতেই অনায়াসে করে ফেলা যায়। এ প্রসঙ্গে অনেকে বেসরকারি সংস্থার কাজের পরিবেশের কথা টেনে আনছেন। তাঁদের কথায়, সরকারি অফিসে কর্ম-সংস্কৃতি ফেরানোটা বেশি জরুরি। এই কাজটি করতে পারলে এই কর্মীবাহিনী দিয়েই কর্তারা কাজ করিয়ে নিতে পারবেন। কিন্তু শাসক দল এই পথে হাঁটতে রাজি নন। এর জন্য রাজনৈতিক তাগিদই বেশি বলে মনে করছেন আমলাদের একাংশ। সেই কারণেই ভোটের দিকে তাকিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর আজকের ঘোষণা।

রাজ্যের কর্মিবর্গ প্রশাসনিক সংস্কার দফতরের এক কর্তা জানান, বেশ কিছু দফতরে শূন্য পদ রয়েছে এটা যেমন ঠিক, তেমনই আবার অনেক দফতরে প্রয়োজনের তুলনায় কর্মীসংখ্যা যথেষ্ট বেশি। বিভিন্ন দফতরে কর্মীসংখ্যায় ভারসাম্য আনতে বছর কয়েক আগে মুখ্যসচিবের নেতৃত্বে প্রশাসনিক সংস্কার কমিটি কিছু সুপারিশ করেছিল। তা মেনে বেশ কয়েকটি বন্ধ ও রুগ্ণ রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা থেকে বিভিন্ন দফতরে কর্মী পাঠানোর কাজও শুরু হয়েছিল। তার মধ্যেই মুখ্যমন্ত্রীর এ দিনের ঘোষণায় তাই আমলাদের একাংশ বিস্মিত।

বিস্ময়ের আরও কারণ রয়েছে। মাত্র দশ মাসের মধ্যে কী ভাবে ২ লক্ষ কর্মী নিয়োগ করা সম্ভব, সেটা ভেবে পাচ্ছেন না আমলারা।

সরকার জানিয়েছে, ২ লক্ষের মধ্যে ৬০ হাজার গ্রুপ-ডি পদে, ৭০ হাজার করণিক বা গ্রুপ-সি মর্যাদার বিভিন্ন পদে এবং ৭০ হাজার নিয়োগ করা হবে শিক্ষক পদে। নবান্নের খবর, সরকারের স্টাফ সিলেকশন কমিটির মাধ্যমে গত তিন বছরে গ্রুপ-সি পদে কমবেশি ৪ হাজার নিয়োগ করা হয়েছে। এসএসসি সূত্রের দাবি, সরকারি চাকরি দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকে নিয়োগ পর্যন্ত সময় লেগে যায় এক বছরের বেশি। দু’টি লিখিত পরীক্ষা এবং ইন্টারভিউয়ের মাধ্যমে যদি নিয়োগ করতে হয়, তা হলে সময় আরও বেশি লাগে। ফলে যে ৭০ হাজার গ্রুপ-সি কর্মী নিয়োগের কথা বলা হয়েছে, তা এক বছরের মধ্যে শেষ প্রায় অসম্ভব।

তবে স্কুল সার্ভিস কমিশন ও রাজ্য প্রাথমিক বোর্ডের কর্তারা জানিয়েছেন, মামলা-মোকদ্দমা না হলে পরের বিধানসভা ভোটের আগেই ৬০ হাজার শিক্ষক নিয়োগ করে ফেলা সম্ভব। আর যে হেতু ৬০ হাজার গ্রুপ-ডি পদে সংশ্লিষ্ট দফতরগুলি সরাসরি নিয়োগ করবে, সুতরাং সেই নিয়োগেও বিশেষ সময় লাগবে না।

নবান্নের এক কর্তা জানান, ভোটের আগে এই নিয়োগ সংক্রান্ত ঘোষণা বাস্তবায়িত করার চাপ এলে অর্থ দফতর যে সঙ্কটে পড়বে তাতে সন্দেহ নেই। অর্থ দফতরের এক কর্তার কথায়, ‘‘রাজ্যের এখন বেতন-পেনশন খাতে খরচ সাড়ে ৪৭ হাজার কোটি টাকা। অথচ নিজস্ব কর বাবদ সরকারের আয় ৪২ হাজার কোটি। এর পরে আরও ২ লক্ষ লোক নিয়োগপত্র পেলে বেতন দেওয়ার খরচ ৫০ হাজার কোটি টাকা ছাড়াবে। এর অর্থ, বেতন-পেনশনের টাকাটুকুও সরকার নিজেদের কর আদায় থেকে তুলতে পারবে না। ফলে এ কাজেও কেন্দ্রের মুখাপেক্ষী হয়ে থাকতে হবে।’’

কী হলে কী হতে পারে : আপাতত তা ভেবে লাভ নেই বলেই মনে করছেন নবান্নের কর্তারা। তাঁরা জানাচ্ছেন, ভোটের আগে কল্পতরু মুখ্যমন্ত্রীর তরফে আরও অনেক প্রতিশ্রুতির কথা শোনা যাবে। কিন্তু এর কতটা সরকার বাস্তবায়িত করতে পারবে, তা নিয়ে খুবই সন্দেহ আছে।

এ দিন মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী শুধু নতুন চাকরির কথায় বলেননি, বেশ কিছু পদের বেতন বৃদ্ধির কথাও বলেছেন তাঁর কথায়, ‘‘১ লক্ষ ৩০ হাজার সিভিক ভলান্টিয়ারের বেতন এত দিন মাসে ২৮০০ টাকা ছিল। এটা বাড়িয়ে ৫৫০০ টাকা করে দেওয়া হচ্ছে। আর কন্যাশ্রীর ভাতা বছরে ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭৫০ টাকা করা হচ্ছে।’’ তিনি জানান, এর পরে সিভিক ভলান্টিয়ারদের থেকে ১০ শতাংশকে যোগ্যতার ভিত্তিতে হোমগার্ডে চাকরি দেওয়া হবে। ভলান্টিয়াররা বছরে ১৪ দিন সবেতন ছুটিও পাবেন।

IBPS: রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে চাকরির প্রক্রিয়ার জন্য আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে । এখুনি আবেদন করুন ।

 


IBPS-
এর পরীক্ষার মাধ্যমে ১১টি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে মোট ৬৪৭টি শূন্য আসনে স্পেশ্যালিস্ট অফিসার নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। পরে শূন্য আসন বাড়তে পারে।

ব্যাংকে উচ্চ পদে চাকরি যদি লক্ষ্য হয় তাবে আপনার সামনে ফের বড় সুযোগ হাজির।১১টি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক স্পেশ্যালিস্ট অফিসার পদে প্রচুর প্রার্থী নিয়োগ করতে চলেছে। অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়া ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গিয়েছে। প্রার্থী বাছাইয়ের জন্য এই পরীক্ষা নেবে ইনস্টিটিউট অফ ব্যাংকিং পার্সোনেল সিলেকশন (IBPS) মোট শূন্য আসন ৬৪৭টি। তবে সেই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, মোট শূন্য আসন হাজার ছাড়িয়ে গেলেও বিস্মিত হওয়ার কিছু নেই। ফলে ব্যাংকে চাকরিপ্রার্থীদের জন্য এটি একটি বড় সুযোগ।

দেশজুড়ে কমন রিক্রুটমেন্ট প্রসেসের (CRP SPL-X) মাধ্যমে IBPS SO নিয়োগ করা হবে। প্রিলিমিনারি এবং মেইন- প্রতিটি পরীক্ষা হবে অনলাইনে। আগামী ২৬ ডিসেম্বর এবং ২৭ ডিসেম্বর প্রিলিমিনারি পরীক্ষা হবে বলে স্থির আছে। প্রিলিমিনারিতে যারা পাশ করবেন তারা মেইন পরীক্ষায় বসার সুযোগ পাবেন ।

২০২১ সালের ৩০ জানুয়ারি IBPS SO Mains Exam অনুষ্ঠিত হবে।

গুরুত্বপূর্ণ তারিখ:

  •    অনলাইন রেজিস্ট্রেশন শুরু: ২ নভেম্বর, ২০২০
  • অনলাইনে ফি/ইন্টিমেশন চার্জ জমা দেওয়া যাবে: ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত
  • প্রিলি অ্যাডমিট কার্ড ডাউনলোডের তারিখ: ডিসেম্বর, ২০২০
  • প্রিলিমিনারি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ: ২৬ ও ২৭ ডিসেম্বর, ২০২০
  • মেইন পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ: ২৪ জানুয়ারি, ২০২১
  • ইন্টারভিউর সম্ভাব্য তারিখ: ফেব্রুয়ারি, ২০২১
  • পদ বণ্টন: এপ্রিল, ২০২১

শুন্যপদ:

  • আইটি অফিসার (স্কেল ১): ২০টি
  • এগ্রিকালচারাল ফিল্ড অফিসার (স্কেল ১): ৪৮৫টি
  • মার্কেটিং অফিসার (স্কেল ১): ৬০টি
  • ' অফিসার (স্কেল ১): ৫০টি
  • রাজভাষা অধিকারী (স্কেল ১): ২৫টি
  • এইচআর/পার্সোনেল অফিসার (স্কেল ১): ২৫টি

কোন কোন ব্যাংকে নিয়োগ

  • ব্যাংক অব বরোদা
  • ব্যাংক অব ইন্ডিয়া
  • ব্যাংক অব মহারাষ্ট্র
  • ইউনিয়ন ব্যাংক অব ইন্ডিয়া
  • সেন্ট্রাল ব্যাংক অব ইন্ডিয়া
  • কানাড়া ব্যাংক
  • ইন্ডিয়ান ব্যাংক
  • ইন্ডিয়ান ওভারসিজ ব্যাংক
  • পঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাংক
  • পঞ্জাব অ্যান্ড সিন্ধ ব্যাংক
  • ইউকো ব্যাংক

যোগ্যাতা ঃ

 শিক্ষাগত যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা এবং অন্যান্য: এই সমস্ত পদে আবেদনের ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা এবং অন্যান্য বেঞ্চমার্ক ভিন্ন। এই সম্পর্কে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বিশদে উল্লেখ করা হয়েছে।


বয়স:

১ নভেম্বর ২০২০ তারিখ অনুযায়ী আগ্রহী প্রার্থীদের বয়স হতে হবে ২০ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে। সংরক্ষিত প্রার্থীরা সরকারি নিয়ম অনুযায়ী বয়সের ঊর্ধ্বসীমায় ছাড় পাবেন।

প্রার্থী বাছাই পদ্ধতি:


সর্বভারতীয় প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে প্রার্থী বাছাই করা হবে। অনলাইনে অনুষ্ঠিত প্রিলিমিনারির এবং মূল পর্বের পরীক্ষায় সফল প্রার্থীদের ১১ রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে শূন্যপদ অনুযায়ী গ্রুপ ডিসকাশন বা ইন্টারভিউতে ডাকা হবে। মেইন পরীক্ষা ও ইন্টারভিউতে পাওয়া নম্বরের ভিত্তিতে (৮০-২০ অনুপাত) চূড়ান্ত মেধাতালিকা তৈরি হবে।

আবেদনের ফি:


সাধারণ ও অন্যান্য প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ইন্টিমেশন চার্জ-সহ আবেদনের ফি ৮৫০ টাকা। তবে SC/ST/PWD প্রার্থীদের শুধুমার্ত ১৭৫ টাকা দিতে হবে।

শর্তাবলী:


নিম্মলিখিত ওয়েবসাইটে গিয়ে অনলাইন আবেদন করতে হবে। আগ্রহী প্রার্থীর বৈধ ই-মেইল আইডি ও মোবাইল নম্বর থাকতে হবে। এক জন প্রার্থী কেবল একটি পদের জন্য আবেদন করতে পারবেন। অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করা এবং ফি/ ইন্টিমেশন চার্জ জমা দেওয়া যাবে।এই ব্যাপারে যাবতীয় খুঁটিনাটি তথ্য IBPS-এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে পাওয়া যাবে।


আবেদনের লিংক ঃ এখানে ক্লিক করুন


বিজ্ঞপ্তি লিংক ঃ এখানে ক্লিক করুন


সরাসরি আবেদনের জন্য লিংক ঃ এখানে ক্লিক করুন